Monday, November 5, 2012

ওসকার নিয়েমেয়ার





ওসকার নিয়েমেয়ার একজন ব্রাজিলিয়ান আর্কিটেক্ট যাকে ইন্টারন্যাশনাল মডার্ন আর্কিটেকচারে পারদর্শী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৪০,৫০ এবং ৬০ এই তিন দশকে তিনি সারাবিশ্বের জনপ্রিয় আর্কিটেক্টদের মাঝে নিজেকে মর্ডানিজমের একজন সেরা নক্ষত্র হিসেবে প্রমাণ করেছেন "রিসেইপড ব্রাজিল" এর পরিচয় রূপ দানের মাধ্যমে।
"১৯৫০ এর দশকে যখন ব্রাজিলিয়া শহরে উন্নয়ন কাজ চলছিল ওসকার নিয়েমেয়ার তখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভবন ডিজাইন করে অসামাণ্য অবদান রেখেছিলেন। তিনি রিইনফোর্স কংক্রীট নান্দনিক রূপের "ফর্মাল পসিবিলিটিস" আবিস্কারের অগ্রদূত ছিলেন। নিয়েমার তার বিমূর্ত অবয়ব এবং কার্ভ ব্যবহার এর মাধ্যমে খুবই বিখ্যাত ছিলেন যেগুলো বিশেষভাবে চরিত্রিত হয়েছে তার প্রতিটি কাজে। তিনি গতানুগতিগ সোজা লাইনের মধ্যে [ডিজাইনের ক্ষেত্রে] আবদ্ধ ছিলেন না এবং সোজা কোণ অথবা সোজা লাইনের প্রতি আগ্রহী হওয়ার তুলনায় প্রিয়ার শরীরের মত [তার ভাষ্যমতে] মুক্ত বহমান [free flowing] সেনসুয়াল কার্ভ ব্যবহার করেছেন।

তিনি তার কংক্রীট এর বৈপ্লবিক ব্যবহার মাধ্যমে কার্ভড আর্কিটেকচারের ডিজাইন করা ও নির্মাণে পারদর্শী ছিলেন। তার নকশা গুলো বেপরোয়া, নতুনত্ব এবং সাহসের মিশ্রণ, আবিস্কৃত এবং অকৃত্রিম। তার বিল্ডিংগুলো প্রায়ই চরিত্রায়িত হয় প্রসস্থ এবং উদ্ভাসিত, ভলিউম এবং শুন্যতার মিশ্রণ হিসেবে যা রীতিবিরুদ্ধ নিদর্শন তৈরি করে এবং প্রায়ই piloti দিয়ে উঁচু করা হয়। তার কংক্রীটের ব্যবহার মার্জিত এবং সুরেলা হিসেবে উল্লিখিত হয়। ওসকার নিয়েমেয়ার বারোক স্টাইলের সাথে মডার্ণ আর্কিটেকচার এর সংযোগের মাধ্যমে নতুন ধরনের আর্কিটেকচার তৈরিতে সক্ষম ছিলেন যা ব্রাজিলে আগে কখোনো তৈরি হয়নি।





"আমি মানুষের তৈরি শক্ত এবং অনমনীয় সোজা কোণ অথবা সোজা লাইনের প্রতি আকৃষ্ট নই । আমি মুক্ত বহমান, সেনসুয়াল কার্ভের প্রতি আকৃষ্ট যে কার্ভ আমি আমার দেশের পাহারগুলোর মধ্যে , নদীগুলোর নিজস্ব বক্রতায়, সমূদ্রের ঢেউয়ে এবং প্রিয়ার শরীরে দেখতে পাই । কার্ভগুলো গোটা ইউনিভার্স তৈরি করে, আইন্স্টাইনের কার্ভড ইউনিভার্স । "






নিয়েমেয়ার রিও ডি জেনেইরো এর ন্যশনাল স্কুল অব ফাইন আর্টস এ আর্কিটেকচার পড়েছিলেন। ১৯৩৪ সালে তার গ্রাজুয়্যাশন শেষ করার কিছু আগে তিনি লুসিও কস্তার [ব্রাজিলিয়ান আর্কিটেকচার এর মডার্ন আন্দোলন এর নেতা] অফিসে জয়েন করেন। তিনি কস্তার সাথে ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত মিনিস্ট্রি অব এজুকেশন এবং হেলথ বিল্ডিং এ কাজ করেন যা মডার্ণ আর্কিটেকচারে ব্রাজিলের প্রথম মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ডিজাইনে সুইস বংশোদ্ভুদ ফ্রেণ্ঞ আর্কিটেক্ট লি করবুশিয়ার দিয়ে অনুপ্রাণিত ছিলেন। নিয়েমেয়ার কস্তার সাথে নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার ১৯৩৯-৪০ এ ব্রাজিলিয়ান প্যভিলিয়নের প্লানেও কাজ করেছেন।




নিয়েমেয়ারের প্রথম একক প্রজেক্ট ছিল পামপুলহা [ব্রাজিলের বেলো হরিজনতের একটি নতুন শহরতলী ]এর মধ্যে একটি কমপ্লেক্স এর প্লান। ১৯৪১ সালে জুসসেলিনো কুবিৎসচেক ডি অলিভেরা এবং পরে বেলো হরিজনতের অনুমতিতে পরিকল্পনায় একটি চার্চ, কাজিনো, ড্যান্স ক্লাব, রেস্তোরা, ইয়ট ক্লাব, মেয়রের সাপ্তাহিক অবকাশ অন্তরভুক্ত হয় যার সবকিছু একটি কৃত্রিম হ্রদকে ঘিরে রয়েছে।

কমপ্লেক্স বিল্ডিংগুলো উল্লেখযোগ্য তাদের মুক্তবহমান আকৃতির কারণে। একজন লেখক চার্চের দেয়ালকে বাউন্সিং বলের গতিপথের সাথে তুলনা করেছেন। ১৯৪৭ সালে নিয়েমেয়ার ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেন নিউইয়র্ক সিটিতে ইউনাইটেড ন্যশনস বিল্ডিং এর প্লান করার মাধ্যমে।


১৯৫৬ সালে কুবিৎসচেক যখন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি নতুন রাজধানী শহর ব্রাসিলিয়া ডিজাইনের দায়িত্ব নিয়েমেয়ারকে দেন।নিয়েমেয়ার সরকারি বিল্ডিংগুলো ডিজাইন করতে রাজি হয়েছিলেন কিন্তু মাস্টার প্লানের জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগীতার আয়োজন করতে বলেন পরবর্তীতে প্রতিযোগিতাটি তার গুরু লুসিও কস্তা জিতে নেন। নিয়েমেয়ার ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ব্রাসিলিয়ার সরকারি বিল্ডিং কর্তৃপক্ষ, নোভা-ক্যাপের চীফ আর্কিটেক্ট হিসেবে কাজ করেছেন।

নিয়েমেয়ার এর ডিজাইন করা ব্রাসিলিয়ার বিল্ডিংগুলোর মধ্যে ছিল প্রেসিডেন্টের ভবন [the President’s Palace], ব্রাসিলিয়া প্যালাস হোটেল [the Brasília Palace Hotel], বিচার ভবন এর মন্ত্রনালয় [the Ministry of Justice building], সভাভজনালয় [the presidential chapel], ক্যাথেড্রাল [cathedral]























      ওসকার নিয়েমেয়ার এর ডিজাইন করা ন্যাশনাল কংগ্রেস অব ব্রাজিল এর কিছু ছবি



১৯৬১ সালে প্যারিস এবং ইসরাইলে থাকার সময়টাতে নিয়েমেয়ার পুনরায় ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেন।

চলবে.....

Monday, October 22, 2012

নিরামিষাষী সমাচার


উইকিপিডিয়ায় অনেকদিন থেকেই ভেগানদের নিয়ে একটা বাংলা আর্টিকেল লিখার ইচ্ছা ছিল কিন্তু সুযোগ এবং সময়ের অভাবে কোনোভাবেই হয়ে উঠছিল না । ঈদের ছুটির প্রথম দিনটাতে তাই কিছু ওয়েবসাইট ওপেন করে অনুবাদ শুরু করে দিলাম। একরাতে সম্পূর্ণ না হোক কিছু তো রেডি করা গেছে । আশা করছি কোনো একদিন আবার উৎসাহ নিয়ে আর্টিকেল টি নিয়ে বসে যাব। যতটুকু তথ্য পাওয়া গেছে ততটুকু ব্লগে তুলে দিলাম । থাকুক ।





'ভেগানিজম'' হচ্ছে প্রাণীজ পণ্য সমূহ গ্রহন থেকে বিরত থাকার চর্চা । ''এথিকাল ভেগানরা'' যে কোনো প্রয়োজনে প্রাণীজ পণ্য গ্রহন এবং প্রাণীদের বাণিজ্যিক ব্যবহার বর্জন করে, যেখানে, ''ডায়েটারী ভেগান'' অথবা ''স্ট্রিক্ট ভেজিটারিয়ান'' তাদের খাদ্য তালিকা থেকে প্রাণীদের বাদ দেয়।

আরেকটি রূপ, ''এনভাইরনমেন্টাল ভেগানিজম'', এই উদ্দেশ্যে প্রাণীজ পণ্য বর্জন করে যে যান্ত্রিকতার চর্চা পরিবেশগতভাবে ক্ষতিকর এবং ক্ষনস্থায়ী।

"ভেগান" শব্দটি ১৯৪৪ সালে ইংল্যান্ডে ডোনাল্ড ওয়াটসন "নন ডেইরি ভেজিটেরিয়ান "কে বোঝাতে প্রথম উল্লেখ করেছিলেন, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভেগান সোসাইটি এর সহ প্রতিষ্ঠাতা। এই সোসাইটি খাবার হিসেবে ডিমের ব্যবহারেও প্রতিবাদ করেছিল। ১৯৫১ সালে সোসাইটি ভেগানিজম শব্দটির ব্যাখা " মানুষের উচিত প্রাণীদের শোষণ না করে বাঁচা " এ মতবাদের মধ্যদিয়ে স্পষ্ট করে । ১৯৬০ সালে এইচ জে দিনশাহ আমেরিকান ভেগান সোসাইটি চালু করেন ভেগানিজমের সাথে অহিংসার জেইন ধারনার সাথে যোগসূত্রের মাধ্যমে ,যার ভিত্তি জীবিত প্রাণীর প্রতি সহিংসতা পরিহার করা।

এটা একটি ক্ষুদ্র কিন্তু বর্ধমান আন্দোলন। ভেগান রেস্টুরেন্ট এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং বিশেষ endurance খেলার কিছু শীর্ষ এথলেটরা যেমন আয়রনম্যান ট্রিয়াথলন এবং আল্ট্রা ম্যারাথন রা ভেগানিজম এবং র'ভেগানিজম চর্চা করছে। আমেরিকান ডায়েটিক এসোসিয়েশন এবং ডায়েটিশিয়ান অব কানাডা একটি সু পরিকল্পিত ভেগান ডায়েট কে জীবনচক্রের সকল ধাপের জন্য যথাপোযুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। সু পরিকল্পিত ভেগান ডায়েট কে অনেক পর্যবসিত অবস্থা, যেমন হৃদরোগের প্রতিকার হিসেবে পাওয়া গিয়েছে। যদিও অপরিকল্পিত ভেগান ডায়েটের কারনে কিছু ভিটামিন এবং খনিজ এর ঘাটতি হতে পারে।

তাই ভেগান ডায়েটে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২,আয়রন,ভিটামিন ডি, ক্যালশিয়াম, আয়োডিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড এর উৎসের নিশ্চয়তা থাকা উচিৎ।



পূর্বকথা:



অতীতে,খৃস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতকের দিকে প্রাণী হত্যার বিরূদ্ধে একটি নীতিগত বিরোধিতা পিথাগোরাস এর মাধ্যমে শুরু হয়। কেরি এস ওয়ালটারস এবং লিসা পোর্টমেস এর লিখনিতে প্রাণী হত্যার বিরূদ্ধে প্রথম পশ্চিমা নৈতিক বিরোধিতা গ্রিক দার্শনিক পিথাগোরাস ( ৫৭০ -৪৯০ খ্রিস্টপূর্ব ) এর। আত্মার ট্রান্সমাইগ্রেশন বিশ্বাসী পিথাগোরাস সতর্ক করেছিলেন, প্রাণী ভক্ষন মানুষের আত্মা ভক্ষনের সাথে সম্পর্কিত ; তাই তিনি এর বিরোধিতা করে বলেছিলেন,মানুষের উচিৎ আত্মার আত্মীয় হিসেবে সকল জীবিত প্রাণীর প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো।

ঊনিশ শততের শুরুতে ইংল্যান্ডে ভেজিটেরিয়ান শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়।ওক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারীতে একটি প্রাথমিক সূত্র হিসেবে অভিনেত্রী ফ্যানি ক্যামবল (১৮০৯-১৮৯৩) এর ১৯৩১ সালের লেখার কথা উল্লেখ আছে। ১৮৩৮ সালে জেমস পিয়েরো পোন্ট গ্রিভস ছাত্র সহযেগে আলকোট হাউজ নামে একটি বোর্ডিং স্কুল খুলেন ভেজিটেরিয়ান ডায়েট (যা বর্মানে ভেগান ডায়েট) চর্চার উদ্দেশ্যে ।তারা ভেজিটেরিয়ান শব্দটি ১০০% উদ্ভিদ ভিত্তিক ডায়েট বোঝাতে ব্যবহার করত, একজন ভেজিটেরিয়ান ছিল শুধুমাত্র এমন ব্যক্তি য়ে উদ্ভিদের উপর বেঁচে থাকত।

আলকোট হাউজের সমর্থক ,ট্রুথ ট্রিসার টেম্পেরান্স এর পাঠকগোষ্ঠী, ওভো-ল্যাক্টো ভেজিটেরিয়ান, বাইবেল ক্রিস্চিয়ান চার্চ এর সদস্যদের মাধ্যমে প্রথম ভেজিটেরিয়ান সোসাইটি গঠিত হয়, ১৮৪৭ সালের সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ রামসগেটের নর্থউড ভিলায় এর প্রথম মিটিং বসে। জোসেফ ব্রাদারটন (১৭৮৩-১৮৫৭) মিটিংটি ডেকেছিলেন।

১৮৮৬ সালে সংগঠনটি ইংলিশ ক্যম্পেইনার হেনরি সল্ট(১৮৫১-১৯৩৯) [ বিশ্বজুড়ে পরিচিত প্রথম লেখক হিসেবে যিনি 'প্রাণী উন্নয়ন' থেকে 'প্রাণী অধিকার' আন্দোলনের উদাহরণ তৈরি করেছিলেন] এর প্রভাবশালী এ প্লীয়া ফর ভেজিটেরিয়াজম প্রকাশ করেন, এতে তিনি লিখেন, তিনি একজন ভেজিটেরিয়ান ছিলেন এবং এটা ছিল একটা ভয়ানক সিদ্ধান্ত কারণ সাধারণ সমাজে একজন ভেজিটেরিয়ানকে উন্মাদলোকের থেকে একটু ভাল এই হিসেবে দেখা হত।

ভেজিটেরিয়ানদের মধ্যে যারা ডিম এবং দুগ্ধজাত খাদ্য পরিহার করে তারা স্ট্রিকট ভেজিটেরিয়ান হিসেবে পরিচিত । চামড়ার জুতা ব্যবহার এর বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ১৮৫১ সালে ভেজিটেরিয়ান সোসাইটির ম্যাগাজিনে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় যা ইন্টারন্যশনাল ভেজিটেরিয়ান ইউনিয়নের উদ্ধৃতি অনুযায়ী ইংল্যান্ডে আরেকটি গ্রুপের অস্তিত্বের প্রমাণ যারা প্রাণীজ পন্য পুরোপুরি বর্জন করতে চায়।


পরিচিত কিছু ভেজিটেরিয়ান:




পিসক্যাটারিয়ান

পিসক্যাটারিয়ান শব্দটি মাঝে মাঝে তাদের বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যারা সব ধরনের মাংস এবং প্রাণীজ আমিষ [ব্যতিক্রম:মাছ] খাওয়া থেকে বিরত থাকে।যদিও শব্দটি সর্বত্র ব্যবহূত নয়,দিন দিন মানুষ এই খাদ্যাভাসে অভ্যস্থ হচ্ছে সাধারণত সাস্থগত কারণে অথবা পুরোপুরি ভেজিটেরিয়ান হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে।


ফ্লেক্সিটেরিয়ান অথবা সেমি ভেজিটেরিয়ান

ফ্লেক্সিটেরিয়ান অথবা সেমি ভেজিটেরিয়ান বলতে বোঝায় এমন ব্যক্তিদের বোঝায় যারা, সচারচর ভেজিটেরিয়ান ডায়েট খেয়ে থাকে, কিন্তু মাঝে মাঝে মাংস খায়।তারা এই নীতিতে বিশ্বাষ করে যে, " ভেজিটেরিয়ান খাবার কে ভালবাসতে পুরোপুরি ভেজিটেরিয়ান হতে হয় না।”


ভেজিটেরিয়ান [ ল্যাক্টো ওভো ভেজিটেরিয়ান ]

১। ল্যাক্টো ভেজিটেরিয়ান
২। ওভো ভেজিটেরিয়ান

ল্যাক্টো ভেজিটেরিয়ান বলতে এমন ভেজিটেরিয়ান কে বোঝায় যে ডিম খায় না কিন্তু দুগ্ধজাত খাবার খায়। অপরদিকে ওভো ভেজিটেরিয়ান বলতে সেইসব ভেজিটেরিয়ানদের বোঝায় যারা ডিম খায়,কিন্তু মাংস অথবা দুগ্ধজাত খাবার খায় না।


ভেগান অথবা স্ট্রিকট ভেজিটেরিয়ান।

ভেগানরা কোনো প্রকারের মাংস,ডিম,দুগদ্ধজাত অথবা এইসব দিয়ে তৈরি কোনো খাবার অথবা প্রাণীজ উপকরণ যেমন জেলাটিন খায়না। কিছু ভেগান সেইসব খাবার থেকেও দূরে থাকে যেসব খাবার প্রানীজ পণ্য ব্যবহার করে তৈরি করা হয়, কিন্তু তৈরির পর সেগুলোর মাঝে প্রাণীজ পণ্য নাও থাকতে পারে। যেমন চিনি এবং কিছু প্রকারের ওয়াইন। কিছু নির্দিষ্ট খাবার নিয়ে বিতর্ক আছে যে, সেগুলো [ যেমন:মধু ]ভেগান খাবার তালিকায় পরে কিনা।


র ভেগান

একটি র ভেগান ডায়েটে পুরোপুরি তৈরি বিহীণ ভেগান খাবার থাকে যেসব ১১৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট অথবা ৪৬ডিগ্রি তাপমাত্রার উপরে রান্না করা হয়নি। কাঁচা ভেগানরা বিশ্বাস করে এই তাপমাত্রার উপরে খাবার রান্না করলে তা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান হারায় এবং সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

ম্যাক্রোবায়োটিক

ম্যাক্রোবায়োটিক ডায়েট, এর সাস্থ্যকরী এবং নিরাময়কারী গুনের কারনে অনেকের কাছে গ্রহণীয়। পুরোপুরি তৈরি বিহীণ ভেগান খাবার,যেমন আস্ত বীজ, ফল ও সবজি এবং মাঝে মাঝে মাছ খাওয়া এই ডায়েটের আওতায় পরে। এই ডায়েটে চিনি এবং পরিশোধিত তেল খাওয়া নিষেধ। ধারণা করা হয় ম্যাক্রোবায়োটিক ডায়েটের সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্টটি হলো ,এশিয়ান ভেজিটেবল [যেমন ডাইকন] এবং সমূদ্রের ভেজিটেবল [যেমন সিউইড] ভক্ষণ এর প্রতি জোর দেওয়া।


চলবে.....